বিজিপি সরকারের উদ্যোগে এইবার পঞ্চায়েত কর্মীদের বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত তিন বছর ধরে যারা একই পঞ্চায়েত অফিসে কর্মরত রয়েছেন তাদের অন্যত্র বদলি করা হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের যে সমস্ত পঞ্চায়েত অফিস গুলিতে তিন বছর ধরে কর্মীরা কাজ করছিলেন সেরকম ১১০০ কর্মীদের বদলি করা হবে। অন্যদিকে বিপুল শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে।
২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের পর ডবল ইঞ্জিন সরকার ক্ষমতায় আসে এবং একাধিক নতুন প্রকল্প রূপায়ণের প্রক্রিয়াকরণ শুরু হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যে। এর পাশাপাশি স্বচ্ছ মিশন থেকে শুরু করে স্মার্ট সিটি তৈরি করা এবং ডিসেম্বরের মধ্যে বিপুল শূন্য পদে নিয়োগ সবারই হওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। সম্প্রতি রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পঞ্চায়েত অফিসে তিন বছর ধরে কর্মরত কর্মীদের অন্যত্র বদলির যে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে, রাজ্যের জেলাশাসকদের কাছে ইতিমধ্যে সেই নির্দেশিকা পৌঁছে গিয়েছে।
বর্তমান পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ সাংবাদিক বৈঠকে পর এই মর্মে ঘোষণা করেছেন। এই নির্দেশিকার কারণ তিনি সুস্পষ্ট করেন। পঞ্চায়েত অফিসে দুর্নীতি রুখতে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যে সমস্ত কর্মীরা একই পঞ্চায়েতে বছরেকর বছর কাজ করছেন। একবারের জন্য যাদের বদলি হয়নি, দ্রুত তাদের বদলি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার কথা চিন্তা-ভাবনা করা হয়েছে। প্রায় ১১,১৫৪ একটি শূন্যপদ পূরণের জন্য এই নিয়োগ করা হবে। এরপরে রাজ্যের বেকার চাকরিপ্রার্থীদের কর্মসংস্থানের একটা সুযোগ ঘটতে চলেছে আগামীতে।
জানা যাচ্ছে, ১১,১৫৪ মোট শূন্য পদের মধ্যে
গ্রাম পঞ্চায়েত বিভাগে ৯, ৯৩৬টি, পঞ্চায়েত সমিতি বিভাগে ৬৬০টি এবং জেলা বা মহকুমা বিভাগে ৫৫৮টি শূন্যপদ রয়েছে। এরমধ্যে আপাতত ৬, ৫৩৬টি শূন্যপদে নিয়োগের অনুমোদন গ্র্যান্টেড হয়েছে।
আরোও পড়ুন: Jn Tata Endowment Scholarship: যেএন টাটা এনডাউমেন্ট স্কলারশিপ কি? যোগ্যতা, আবেদন প্রক্রিয়া জানুন।
নতুন সরকার আসার পরেই পঞ্চায়েত অফিস গুলিতে দুর্নীতির পাহাড় জমা হওয়ার খবর উঠে আসছে। এই দুর্নীতি রুখতে এইরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন দপ্তর।
শুধু তাই নয়, প্রাক্তন সরকারের সময় ১০০ দিনের যে কাজ শুরু হয়েছিল। সেই কাজ জুন মাস পর্যন্ত চলবে তারপর জুলাই মাস থেকে ১৫০ দিনের কাজ শুরু হবে। এই নতুন প্রকল্পের নাম জি রাম জি প্রকল্প নামে পরিচিতি পাবে।
নতুন সরকার বাংলায় ক্ষমতায় আসার পর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন দুর্নীতিমূলক কাজে হস্তক্ষেপ করছে নতুন সরকার। বাংলার মানুষের জনকল্যাণমূলক এই কাজগুলিতে স্বচ্ছতা আনার জন্যই কার্যকরী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে চলেছে নতুন সরকার এর পাশাপাশি বেকারত্বের হার কমানোর জন্য নতুন নিয়োগের ওপর নজর দেওয়া হচ্ছে।