একের পর এক রাজ্যের সরকার শিক্ষানীতি পরিবর্তন করে চলেছেন। হরিয়ানা(Haryana) সরকার ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে নতুন কিছু নিয়ম পরিবর্তন কার্যকরী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিক্ষা স্তরে বহুমুখী উন্নয়ন করার প্রচেষ্টা বা গুরু দায়িত্ব পালন করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করতে চলেছে। দেখে নেওয়া যাক, কোন কোন নতুন পরিবর্তন করা হচ্ছে শিক্ষানীতিতে।
হরিয়ানা(Haryana) সরকার নতুন শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তির নিয়মে বদল এনেছে। আগেকার নিয়মের যে বয়স থেকে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি নেওয়া নিয়ম ছিল, সেই নিয়ম পরিবর্তন করে ছয় বছর করা হয়েছে ভর্তির বয়স। অর্থাৎ প্রথম শ্রেণীতে একজন শিশুকে ভর্তি নিতে গেলে সে শিশুর বয়স ৬ পূর্ণ হতে হবে। আগের নিয়ম অনুযায়ী পাঁচ বছরেও প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি নিয়ে নেওয়া হতো। এই নিয়মের পরিবর্তনের কারণ হরিয়ানা সরকার মনে করছেন, একজন শিশুর প্রথম শ্রেণীতে পড়াশোনার জ্ঞান পরিধি বা জানার জন্য পাঁচ বছর বয়স যথেষ্ট নয়। এর জন্য ছয় বছর বয়স ধার্য করা হয়েছে নতুন নিয়ম অনুযায়ী প্রথম শ্রেণীতে ভর্তির জন্য।
অন্যদিকে হরিয়ানা(Haryana) বোর্ড অফ স্কুল এডুকেশন তরফ থেকে জানানো হয়েছে, হরিয়ানা শিক্ষক যোগ্যতা পরীক্ষা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। শিক্ষক নিয়োগের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগ্যতার পরীক্ষা।
এছাড়াও হরিয়ানা(Haryana) সরকারের একটি নতুন শিক্ষানীতিতে পরিবর্তন হলো, সি এম শ্রী স্কুল চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করা। এই স্কুল পি এম শ্রী স্কুলের অনুকরণে চালু করা হবে। এই সি এম শ্রী স্কুল সিবিএসসি বোর্ডের আন্ডারে পরিচালিত হবে।
আরোও পড়ুন: বন্ধ হয়ে গেলো নৈহাটি জুটমিল! হাজার হাজার কর্মীর মাথায় হাত।
অন্যদিকে হরিয়ানা(Haryana) সরকারের তরফ থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ২২,৯১৫.২৭ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ করেছে যাতে স্কুলগুলির গুণগতমান উন্নত করা যায় এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হয়।
গ্রীষ্মকালীন ছুটি হিসাবে রাজ্য সরকারি স্কুলগুলিতে ২৫ মে থেকে ৩০ শে জুন পর্যন্ত গ্রীষ্মকালীন ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। এই গ্রীষ্মকালীন ছুটি কালীন সময়ে রাজ্যের স্কুলগুলিতে বিভিন্ন সংস্কার মূলক কাজ, পরিকাঠামাগত উন্নয়ন, মেরামরজনিত কাজের জন্য নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে প্রত্যেকটি স্কুল কর্তৃপক্ষকে।
এক কথায় বলা যায় হরিয়ানা(Haryana) সরকার শিক্ষার সংস্কার, শিক্ষার উন্নয়ন ও প্রসার ঘটানো বিশ্বব্যাপী শিক্ষাকে আলো সুদূর প্রসারিত করার চিন্তাভাবনা করেছে। যার ফলে রাজ্য সরকার স্কুলগুলোতে পঠন-পাঠন বিষয়ে আরো উন্নত হবে, ছাত্র-ছাত্রীদের বিকাশ আরো বৃদ্ধি পাবে। স্কুলগুলি পরিকাঠামো উন্নয়ন ঘটবে। সব মিলিয়ে শিক্ষার সার্বিক স্তরে পরিধি অনেকটাই বাড়বে।